সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে ঘুরে আসুন দক্ষিণ আইচার চরফারুকী 

0
153
আলাউদ্দিন ঘরামীঃ গ্রাম অঞ্চলের মানুষ করোনায় আতঙ্ক হলেও শেষ হয়নি ঘুরে বেড়ানোর নেশা। লকডাউন শিথিল হলেই আত্মীয়-স্বজন নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন চরফ্যাসন উপজেলার দক্ষিণ আইচা চরফারুকী মেঘনা নদীর তীর এলাকায়। এ যেনো এক পর্যটন কেন্দ্রের অপর সম্ভাবনা। বর্তমান ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত ভোলা জেলার মধ্যে চরফ্যাসন উপজেলায় শেখ রাসেল শিশু পার্ক এবং বেতুয়া পর্যটন কেন্দ্র খুবই আলোচিত। কিন্তু সে তুলনায় নেই দক্ষিণ আইচায় পর্যটক বা বিনোদন স্থান। দক্ষিণ আইচায় বিনোদন ও পর্যটন কেন্দ্র না থাকায় এখন গ্রামের মানুষ পর্যটন হিসাবে ছুটে আসেন এই নদীবেষ্টিত চরফারুকী গ্রাম এলাকায়। ঈদুল আজহার পর থেকে সারাদেশে কঠোর লকডাউন মানুষ ঘর থেকে বের না হওয়ার নির্দেশনা ছিলো। এসময় কঠিন মহামারি ভাইরাসের আতঙ্কে কেউ ঘর থেকে বের হন নাই করোনার ভয়ে, মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য বুধবার থেকে লকডাউন শিথিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। এ সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করবে গণপরিবহন, নৌযান, খোলা থাকবে শপিংমল সহ বিভিন্ন দোকান পাট, তাই লকডাউন শিথিল হলেই ঘুরে আসতে পারেন, দক্ষিণ আইচার চরফারুকী মেঘনা নদীর তীর এলাকা থেকে।ওখানে সাধারণত দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘুরতে আসেন লোকজন, সেখান থেকে দেখতে পাবেন বন-বাগান, সবুজ প্রকৃতি,মেঘনার স্বচ্ছ পানি আর পানি, নদীতে ঢেউয়ের পর ঢেউ এবং নয়নাভিরাম দৃশ্য। চরফারুকী মেঘনা পর্যটনের পাশেই রয়েছে চর পাতিলা,চরকুকরি মুকরি পর্যটন কেন্দ্র। এমন দৃশ্য ও পর্যটন দেখতে গ্রাম অঞ্চলের মানুষ ছুটে আসেন নদীর পাড়ে। তাই ছেলে-মেয়ে, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী সকলে অবসর সময় কাটাতে আসতে পারেন মেঘনা নদীর পাড়ে। অনেকে আবার সাপ্তাহিক ছুটির পরেও আসতে পারেন। ওখানে মানুষের আনাগোনায় নদীর পাড়ে গড়ে উঠেছে তিনটি দোকান। ওখানকার চায়ের দোকানদার মো.শামীম বলেন, বৃষ্টি এবং লকডাউনের কারণে বর্তমানে মানুষ ঘুরা ফেরার জন্য কম আসে। লকডাউনের আগে প্রতিদিনিই দুই’শ থেকে তিন’শ মানুষ আসতো প্রতিনিয়ত এখানে। ওখানকার স্থানীয় মো.সোহাগ জানান,গ্রামাঞ্চলের মানুষের ঘুরা ফেরার জন্য চরফারুকী নদীর পাড়ে ভালো স্থান। তবে নদীর পাড়ে যাওয়ার সময় দুইটি ব্রিজ ঝুঁকিপূর্ন উপরমহদের দৃষ্টি একান্ত কাম্য এবং  নজর দিয়ে মেরামত করে দিলেই রাস্তাটি দিয়ে রিকশা, বোরাক,সিএনজি, মটর সাইকেল সহ ছোট ছোট বিভিন্ন যানবাহন নদীর পাড়ে যাওয়া সম্ভব।চরফারুকী ঘুরতে আসা কয়েকজন বলেন, দোকান গুলো থেকে বসেই যেন নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারি খুব ভালো লাগে এই নদীর পাড়ের দৃশ্য। চরফারুকী মেঘনা নদীর তীর পর্যটন দেখতে আসলে দক্ষিণ আইচার বাহিরের লোকজন,অর্থাৎ  চরফ্যাসন উপজেলা থেকে যারা সড়ক পথে আসবেন যেমন- বাস, বোরাক,মটর সাইকেলে করে দক্ষিণ আইচা আসবেন।তারপর সেখান থেকেই বোরাক বা মটর সাইকেলে করে দক্ষিণ আইচা চরফারুকী মেঘনা নদীর তীর পর্যটন দেখতে আসতে পারেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here