সোনাইমুড়ীতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

0
153

সোনাইমুড়ী প্রতিনিধি: সোনাইমুড়ী উপজেলার জয়াগ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাউল আত্মসাৎ করা অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় অনৈতিক সুবিধা বঞ্চিত একটি মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইউটিউবের মাধ্যমে অপপ্রচার করছে বলে ইউনিয়ন বাসীর অভিযোগ। এঘটনায় এলাকায় তিব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী অপপ্রচার ও দুষি মহলের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী তুলেছে। জানা যায়, উপজেলার জয়াগ ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের সরকারী খাদ্য বান্ধব কর্মসুচির আওতায় ১০ টাকা কেজি দরে চাউল বিক্রি করছে উপজেলা কর্তৃক নিয়োজিত ডিলার মো. ইলিয়াস। এ বিতরন কার্যক্রমে সরকারী বিধি মোতাবেক উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্তৃক একজন সরকারী কর্মকর্তা ট্যাগ অফিসার হিসেবে নিয়োজিত রয়েছে। এই কর্মসুচিতে স্থানীয় ইউপি সদস্যগন যাচাই-বাছাই করে দরিদ্র শ্রেণির পরিবারগুলিকে কার্ড সরবরাহ করে। বিধি মোতাবেক কর্মসুচি চলমান মাস সমুহে প্রতি কার্ডের অনুকুলে ১০ টাকা দরে ৩০ কেজি চাউল ক্রয় করে থাকেন কার্ড ধারীরা। পুরো প্রক্রিয়া ডিলারের মাধ্যেমে সরকারী ব্যবস্থাপনায় হয়ে থাকলেও স্থানীয় একটি অসামজিক মহল ঘোলাপানিতে মাছ স্বীকার করার অপতৎপরতা চালায়। এরই ধারাবাহিকতায় তারা সম্প্রতি একটি পেইসবুক পেইজে ও একটি ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও বানিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত আকবর পলাশকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালায়। এই অপপ্রচার দেখে স্থানীয় জনসাধারনের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোবের সঞ্চার হয়। এলাকাবাসির অভিযোগ চেয়ারম্যান শওকত আকবর পলাশ এই ইউনিয়নকে মাদক মুক্ত করার ঘোষনা দেন। এতে এলাকায় মাদক বিক্রি ও সেবন হ্রাসপায়। মাদক কারবারিদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা চেয়ারম্যানের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে উঠে পড়ে লেগেছে। ডিলার ইলিয়াস জানায় সরকারী বিধি মোতাবেক সকল বিতরন কার্যক্রম চলছে। চাউল বিক্রির দিন সকালবেলা এসে উপজেলা কর্তৃক নিয়োজিত ট্যাগ অফিসার গুদামের তালা খুলে দিলে আমি কার্ডধারী ব্যাক্তিকে ১০ টাকা দরে চাউল সরবরাহ করি। আবার বিক্রি শেষে তিনি হিসাব মিলিয়ে গুদামের তালা বন্ধ করে দেয়। এখানে আমার অনিয়ম করার কোন সুযোগ নেই। কারো কোন অভিযোগ থাকলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রয়েছে তিনি তদন্ত পুর্বক ব্যাবস্থা নিতে পারেন। জয়াগ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত আকবর পলাশ জানায়, ১০ টাকা কেজি দরে চাউল বিক্রির সকল দায় দায়ীত্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, খাদ্য নিয়োন্ত্রক ও ডিলারের। এই কর্মসুচি চালু হওয়ার লগ্নে আমি সাধ্য পরিমান চেষ্টায় রেশিও হিসেবে যা বরাদ্ধ পাই তা সঠিক ভাবে যাচাই বাছাই করে দরিদ্র শ্রেণির পরিবারগুলিকে অগ্রাধিকার দিয়েছি। এখন কারো কার্ড হারিয়ে গেলে বা নামধারী ব্যাক্তির মৃত্যু হলে পরিবারের প্রধান ব্যাক্তির নামে নামান্তরিত করে দিয়ে থাকি এর বাইরে অন্য কোন কাজ করার সুযোগ নেই। আমি কেন অন্য কোন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানও নিয়োমের বাইরে কাজ করার সুযোগ নেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা ইউটিউবে যা প্রচার করা হয়েছে তা শুধুই অপপ্রচার। যা হচ্ছে তা আমার দলের বা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে একটি অসাধু চক্র কাজ করছে। এদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

 

https://www.facebook.com/din.islam.73997

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here