সরিষাবাড়িতে ১৫ বছরের বালককে পটিয়ে ফায়দা লোটার চেষ্টা মধ্যবয়সী নারীর

0
12

ইসমাইল হোসেন রাশেদ,সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়িতে ১৫ বছরের বালক পটিয়ে ফায়দা লোটার চেষ্টা অভিযোগ উঠেছে ২য় তালাক প্রাপ্ত মধ্যবয়সী এক নারীর বিরোদ্ধে।
স্থানীয় ও পরিবারিক সূত্রে জানা যায় উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের রামনন্দনপুর গ্রামের সাইফুল ইসলামের পুত্র মোঃ শিশির(১৫) কে পার্শবর্তী মাজালিয়া গ্রামের খলিলুর রহমানের দুই স্বামী পরিত্যাক্ত কন্যা মোছাঃ রোমা আক্তার (৩১) বিভিন্ন কৌষলে উক্ত ছেলের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক সৃষ্টি করে।
শিশিরের পিতা জানান আমার না বালক ছেলে শিশির একজন মানুষীক রোগী তার সাত বছর বয়সে তার মাথায় গাছ থেকে কাঠাল পড়ায় সে সময় থেকেই তার মানুষীক সমস্য হয়। কিছুটা উন্নতি হলে স্কুলে ভর্তি করেদেই সে ২০১৭ সালে জেএসসি পরীক্ষয় পাশ করে এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলো।
আমার এ অসুস্থ না বালক ছেলেকে ভুলিয়ে ভালিয়ে তার সাথে অনৈতিক সম্পর্ক সৃষ্টি কওে তার কবজা কওে নেয়।
যার ফলে গত ২৫ নভেম্বর আমার ছেলে সরষিাবাড়িতে কাজের কথা বলে বাড়েিথকে বের হয়ে আর ফিওে না আসায় অনেক খুজাখুজির এক পর্যায় ৩য় দিন ফোনের মাধ্যমে জানতে পারি ঐ মধ্য বয়সী নারির সাথে ঢাকায় এক আত্যিয়ের বাসায় রয়েছে।
আমরা সেখান থেকে এনে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আইনের সঠিক সহায়তা পাওয়ার আস্বাসে দুজনকেই সরিষাবাড়ি থানায় প্রেরণ করি। এবং পিতা হিসাবে একটি লিখিল অভিযোগ দায়ের করতে চাই। কিন্তু ইউপি মেম্বার মোঃ মন্টু মিয়া দুজন কেই নিয়ে তার নিজ বাড়িতে যায় এবং আমাদেরকে সেখানে যাইতে বল্লে আমরা না যাওয়ায় সেই দিনই রাত আনুমানিক ১২-০১ টার সময় ১৫-২০ লোক এক সাথে আমার বাড়িতে এসে ঐ নারীসহ ছেলেকে আমাদের ঘরে প্রবেশ করাতে চাইলে আমরা কেউ দরজা না খোলায় তারা চলে যায়।
এখন তারা কোথায় আছে আমি জানিনা।
কিন্তু আমার ধারনা এ মেয়ে অতিতের দুই ছেলের মতো আমার না বালক ছেলেকেউ ব্যাবহার করে ঐ মেয়েসহ একটি স্বার্থ ন্যাশী মহল অর্থনৈতিক ফায়দা লোটার অপচেষ্টা করছে যা আমার অসুস্থ্য না বালক ছেলে বুঝতে পারছেনা।
তাই আমি চাই এ বিষয়টি আইনের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনিক ব্যাবস্থা গ্রহন করা হোক।
এ বিষয় সরিষাবাড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ(তদন্ত) সাথে মোটো ফোনে কথা বলার চেষ্টা করে সম্ভব হয়নি।
অভিযোক্ত নারী সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here