রোয়াংছড়ি স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে সংস্কার কাজে বরাদ্দ টাকা আত্মসাতের চেষ্টা ও নি¤œমানে কাজ করার অভিযোগ

0
669

হ্লাছোহ্রী মারমা রোয়াংছড়ি প্রতিনিধি: বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংস্কার কাজে বরাদ্দ পাওয়ার টাকা ঠিকাদার রুমেল বড়ুয়া ও কাজের দেখভাল দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রকৌশলী মো: মোর্শেদ এর যোগসাজশে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টা ও র্নিমানের কাজ করার অভিযোগ উঠেছে। সূত্রে জানা গেছে উপজেলার বসবাসরত ১৮ হাজার জন সাধারনে একমাত্র নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ইতিমধ্যে সে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটি অনেক বছরের নির্মিত ভবন হওয়ায় ছাদের চুয়ে পানি পড়ার সহ নানা দিক থেকে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় জরুরী সংস্কারের পদক্ষেপ নেন হাসপাতলের কর্তৃপক্ষ এবং স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ। ২০১৮-২০১৯ অর্থ সালে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে রোয়াংছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মূল ভবন সহ ৩টি ডাক্তারে আবাসিক ভবন। এতে সংস্কারে কাজে অনুমোদন ও বরাদ্দ পেয়ে চট্টগ্রাম জেলাধীন পটিয়া উপজেলা নিবাসী রুমেল বড়ুয়া নামে ঠিকাদার এ কাজটি পেয়ে ঠিক মত কাজ করা হয়নি। কাজ করার নামে তালবাহানাতে ২০১৮-২০১৯ অর্থ সালে কার্য মেয়াত কাল শেষ হয়ে ২০১৯-২০২০ অর্থ সালে পৌঁছেছে। তারপরও সে সংস্কারে কাজ এখনো শেষ করতে পারেননি। জানা গেছে বরাদ্দে মেয়াত কাল ক্ষেপন করে অর্থ আতœসাতে চেষ্টা করা হচ্ছে। এদিকে ঠিকাদারে কোন উপায়ান্ত না দেখে কাজ করতে বাধ্য হয়ে তিনি অতি লাভের আশায় সংস্কার কাজে শর্তানুযায়ী ফলক না করে কাজ শুরু থেকে নি¤œমানের কাজ করে চলছে। গতকাল রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঠিকাদার রুমেল বড়–য়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংস্কারের কাজ সমাপ্ত হয়েছে মর্মে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য বান্দরবান জেলা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে উপসহকারী প্রকৌশলী পার্থ প্রতিম দাশকে নিয়ে এসে কাজটি বুঝিয়ে দিতে চেষ্টা করেন। উপসহকারী প্রকৌশলী পার্থ প্রতিম দাশ কাজে পরিদর্শন ও বুঝিয়ে নেওয়ার সময় কাজের ব্যাপক অনিয়ম ও নি¤œমানে কাজ করা ব্যাপরে দেখতে পান এবং সাথে সাথে কর্মরত স্টাফরা অভিযোগ করেন। একাধিক স্টাফ ঠিকাদারে বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন ঠিকাদারে কাজে দেখভাল দায়িত্বে থাকার ম্যানেজার মো: জিয়া ও মিস্ত্রীকে বারবার কাজের মান নিয়ে কথা বলার পরও তারা আমাদের কথা কর্ণপাত না করে তাদের স্বেচ্ছা কাজ করে চলছে। যে কাজটি কার হয়েছে, সে কাজটি কাজের মান না থাকায় স্থানীয় জনসাধারণ সহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মরত স্টাফরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা আরো বলেন সংস্কারের কাজ করছে ঠিকই কিন্তু কাজের মান না থাকায় শেষ হতে না হতে আবার নষ্ট হয়ে গেছে। শুধু তাই নয়,উপসকারী প্রকৌশলী পার্থ প্রতিম দাশের কাছে নি¤œমানে কাজের মান ধরা পড়ে। এ বিষয়কে পার্থ প্রতিম দাশকে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে এ ব্যাপারে জানিয়ে দেব। নি¤œমানের কাজ ধরণগুলো প্রমান পেলে ও দেখভাল কাজে দায়িত্ব না থাকায় তিনি কিছু করার নেই বলে জানান। কারণ তার চাইতে সিনিয়র প্রকৌশলী মো: মোর্শেদ আছেন। সিনিয়র প্রকৌশলী মো: মোর্শেদেরে নির্দেশে তিনি এ কাজ দেখা জন্য আসছি। নিসিয়র স্যারে সিদ্ধান্ত ছাড়াই কিছু করতে পারবেন না। মো: মোর্শেদ যে সিদ্ধান্ত দিবেন, সে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চূড়ান্ত করা হবে। ঠিকাদার রুমেল বড়ুয়া কাছ থেকে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারব না। ইঞ্জিনিয়ার যেটা বলবে সেটা হবে বলে জানান। দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রকৌশলী মো: মোর্শেদ এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করে এ ব্যাপারে জানতে তিনি বলেন সিডিউলে যা আছে, সে অনুযায়ী এ কাজটি করা হবে। বরাদ্দ পরিমাণ ও সিডিউলে কি কি আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন সিডিউল না দেখে সঠিক বলা যাবে না। প্রথমে বলেন বরাদ্দ প্রায় ২৫ থেকে ২৭ লক্ষ টাকা হতে পারে। দ্বিতীয় বারে বলেন ১৬-১৭ লক্ষ টাকা হতে পারে। তিনি ও বরাদ্দে পরিমাণে কথা সঠিক ভাবে বলেননি ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here