রোয়াংছড়িতে জাতীয়করণকৃত ইউএনডিপি পরিচালিত ১৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০১৫ সালে শিক্ষকদের তালিকানুযায়ী যাচাই বাছাই সম্পন্ন

0
318
হ্লাছোহ্রী মারমা রোয়াংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধি : বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ ও ইউএনডিপি (সিএইচডিপিএফ) কর্তৃক ২০০৮ পরিচালিত ১৬টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিগত ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৭ তারিখে জাতীয়করণ ঘোষণা হওয়ার পর থেকে উপজেলা জুড়ে হুরোহুরি করে চলেছে কর্মরত শিক্ষকদের। দীর্ঘ ২বছর ৮মাসের পর জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে অধ্যাবধি কর্মরত শিক্ষকদের ২০১৫ সালে হালনাগাদ তালিকায় ভুক্ত শিক্ষকদের পুনরায় হালনাগাদকরণে লক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রেরিত পরিপত্র আলোকে চলছে শিক্ষকদের যাচাই-বাছাই। এতে তৃতীয় বারের মত হালনাগাদ থেকে বাদপড়া শিক্ষকরা চলছে মাথায় হাত। সূত্রে জানা গেছে মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) উপজেলা পরিষদের মিলনায়াতনে ইউএনডিপি পরিচালিত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যাবধি পর্যন্ত কর্মরত শিক্ষকদের উপস্থিতিত্বে বাছাই করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মেহেদী হাসান। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চহাইমং মারমা,উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: এসএম জাকারিয়া হায়দার,ইউআরসি ইনস্ট্রাক্টর মোমিনুল ইসলাম। যাচাই বাছাই এর শেষে চন্দ্র লাল তঞ্চঙ্গ্যা,হৃদয় তঞ্চঙ্গ্যার সহ আরো অনেক বাদপড়া শিক্ষকরা নানা অভিযোগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন ২০০৮-২০১১ ও ২০১৩ সালে প্রথম হালনাগাদ,২০১৫ সালে দ্বিতীয় হালনাগাদ করা হয়। অতপর দীর্ঘ ৮ বছর ২ মাস পর বিগত ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৭ জাতীয়করণ ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা সরকার। জাতীয়করণ ঘোষণা হওয়ার পরপর ২০১৭ সালের পুনরায় তৃতীয় বারের মত কর্মরত শিক্ষকদের হালনাগাদ তালিকা করা হয়। এতে কর্মরত শিক্ষকদের মধ্যে তালিকায় থেকে অনেক শিক্ষকরা বাদপড়ে গেছে। বাদপড়া শিক্ষকরা আবারও তালিকায়  অন্তর্ভুক্ত না হলে মানববন্ধন করা হবে বলে জানা গেছে। তবে অনেক শিক্ষকরা স্কুল থেকে ছেড়ে চলে যাওয়ায় নতুন করে ২০১৭ সালে প্রনয়ণ করা শিক্ষকদের চূড়ান্ত তালিকা হিসেবে গ্রহণ করে অনলাইনের তালিকা ভুক্ত করা হয়েছে। তাই অনলাইনের থাকা তালিকার অনুযায়ী শিক্ষকরা নিজ কর্মস্থলে থাকায় ২০১৭ সালে তালিকা গ্রহণ করা দাবি উঠেছে। এদিকে যাচাই বাছায়ের শেষে নির্বাহী অফিসার মো: মেহেদী হাসান বলেন উধর্তন কর্মকর্তাদের প্রেরিত পত্র আলোকে সরণ করে ২০১৫ সালে প্রনয়ণকৃত তালিকায় অনুযায়ী যাচাই বাছাই করা হয়েছে। কিন্তু ২০১৫ সালে থাকার তালিকায় শিক্ষকরা অনলাইন হতেও বাদ পরেছে। ২০১৭ সালে চূড়ান্ত তালিকা থাকায় সাথে মিল নাথাকায় ২০১৫ ও ২০১৭ সালের ভিন্ন তালিকাটি  উধর্তন কর্মকতাদের কাছে দুই ধরে প্রতিবেদন পাঠিয়ে দেয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here