রোয়াংছড়িতে আ.লীগের সম্মেলনকে ঘিরে জ্বল্পনা-কল্পনা: চাই যোগ্যনেতার

0
440

হ্লাছোহ্রী মারমা রোয়াংছড়ি প্রতিনিধি: বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলা আ.লীগের আসন্ন সম্মেলনকে ঘিরে চলছে ব্যাপক জ্বল্পনা-কল্পনা। চাই গোপন বাক্সের ব্যালটের নির্বাচিত নেতৃত্ব পরিবর্তন। তৃণমূল নেতার পর্যায়ের চায়ের দোকানে চলছে আলোচনা-সমালোচনা ব্যস্ততম। ১২ সেপ্টেম্বর উপজেলা আ.লীগের নতুন নেতৃত্বে যোগ্য নেতা কে আসতে পারেন তা নিয়ে আলোচনায় পাড় করছে দলীয় নেতাকর্মীদের। সম্মেলনকে ঘিরে কিছু নেতা বান্দরবানে জেলা র্শীষ নেতাদের সাথে যোগাযোগ করেছে। আগামী নেতৃত্বের জন্য বাছায়ের মাধ্যমে না করে চাই তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভোটের নেতৃত্ব পরিবর্তন। সম্প্রতিক কালের বান্দরবান জেলা আ.লীগের র্শীষ নেতাদের সাথে যোগাযোগ করা দৌঁড়ঝাপ করেছে বলে একাধিক নেতা সূত্রের কথা শুনা যাচ্ছে। এদিকে তৃণমূল নেতাকর্মীদের নেতৃত্ব পরিবর্তনের অবশ্যই নির্বাচন মাধ্যমে নির্বাচিত হতে হবে। তৃণমূল নেতাকর্মীরা কেবল নেতৃত্ব পরিবর্তনের নির্বাচন দেয়ার দাবী। সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সূত্রে জানা গেছে নির্বাচন হউক বা বাছায়ের মাধ্যমে হউক দলীয় কাজ করার মতই নেতা আসলেই হবে। তবে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচনের নির্বাচিত নেতৃত্ব পরিবর্তনে দিকে এগৌচ্ছে। দলীয় নির্বাচন পদ্ধতিতে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমাদানে শেষ আগামী ১০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নির্দিষ্ট তারিখ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি ও রোয়াংছড়ি সদর ইউপি চেয়ারম্যান চহ্লামং মারমা,সাবেক সহ সভাপতি ও বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চহাইমং মারমা প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে পারেন এমনটি ধারণা করেছেন। বর্তমান যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ধীরেন্ট ত্রিপুরা যদি সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলে অন্য কারো না থাকেন তাহলে আ.লীগের দলীয় গঠনতন্ত্র নিয়মেনুযায়ী নির্বাচন পদ্ধতিতে প্রতিদ্বন্দ্বীতার করা না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হিসেবে ঘোষণা করা হবে। কিন্তু জেলা নেতৃ বৃন্দের মতামত ও পরামর্শে নির্বাচন না ও হতে পারেন। ইতিপূর্বে দীর্ঘ ২৫ পর ২০১৬ সালে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী উপজেলা আ.লীগ সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনন্দসেন তঞ্চঙ্গ্যাকে সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক চহ্লামং মারমাকে সভাপতি পদে তৃণমূলে নেতাকর্মীদের গোপন বাক্সের ব্যালট পেপারের মাধ্যমে পরিবার্তনে আনেন। নতুন নির্বাচিত সদস্যকে নিয়ে গঠন করা হয় নতুন কমিটি। বর্তমান কমিটির ৩বছর দায়িত্ব পালনে পর মেয়াদ শেষ হওয়ায় পুনরায় নতুন কমিটি গঠনে সম্মেলনে প্রস্তুতি নিয়া হয়েছে। একাধিক নেতাদের সূত্রে জানা গেছে বর্তমান কমিটিতে সদস্যরা তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সাথে পরস্পরে সম্পৃক্ততা না থাকায় নানা ধরণে ক্ষোভ,অসন্তোষ প্রকাশ করছে তৃণমূল নেতারা। ইতিমধ্যে নেতাকর্মীদের কোণ্ঠাসা বোধ সহ স্বক্রীয় ও ত্যাগী নেতারা অভ্যন্তরে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। ওই কোণ্ঠাসা কারণে প্রায় স্বক্রীয় র্শীষ নেতাকর্মীদের মধ্যে নিস্বক্রীয় হয়ে পড়েছে। সংগঠনিকভাবে অভ্যন্তরীন কোন্দল কারণে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টির হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। আরো জানা গেছে বিগত ২০১৮ সালে জাতীয় ও ২০১৯ সালে উপজেলা নির্বাচনের দলীয় প্রতীকের নির্বাচনের সময় প্রায় নেতাদের দলের কাজ না করে বিপক্ষে গিয়ে বিভ্রান্তি করতে চেষ্টা করা হয়ে ছিল। এ ব্যাপারকে বান্দরবান জেলা আ.লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর বীর বাহাদুর এমপিকে দ্রুত অবহিক করা প্রয়োজন বলে মনে করেন। প্রবীণ নবীনদের উৎসাহ উদ্দীপনায় নির্বাচনে মাধ্যমে নেতৃত্বদানকারীকে বাছাই করা জোর দাবি করেন। দলের অধিকাংশ নেতারা বাছায়ের চূড়ান্ত সিন্ধান্ত না করে মুক্ত রাজনীতি করতে নতুন প্রজন্ম অভিবাবক চাচ্ছেন। সার্বক্ষণিক যাতে আপদে বিপদে কর্মীদের পাওয়া যাবে এবং যে কোন সময়ে চূড়ান্ত সিন্ধান্ত দিতে পারবে তাদেরকে সভাপতি সম্পাদক হিসেবে চাচ্ছেন বলে জানিয়েছে তৃণমূল কর্মীরা। সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভাইস চেয়ারম্যান আথুইমং মারমা বলেন ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ আ.লীগের রোয়াংছড়ি উপজেলা শাখা গঠিত হয়। তৎকালীন সময়ের আমাদের যারা আ.লীগের কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে পালন করে গেছেন তারা হলেন ১৯৯১ সাল থেকে ১৯৯৭ পর্যন্ত ৩৩৮নং রোয়াংছড়ি মৌজা হেডম্যান মংহ্লাচিং মারমা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মিন্টু মজুমদার,১৯৯৭ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত মাষ্টার অনিল তঞ্চঙ্গ্যা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে আথুইমং মারমা,২০০৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত সভাপতি পদে কাঞ্চনজয় তঞ্চঙ্গ্যা ও সাধারণ সম্পাদক পদে হ্লাথোয়াইপ্রু মারমা,২০১৬ সাল থেকে অধ্যাবধি ২০১৯ সাল পর্যন্ত সভাপতি পদে চহ্লামং মারমা ও সাধারণ সম্পাদক পদে আনন্দসেন তঞ্চঙ্গ্যা দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে আগামীতে যারা কমিটিতে র্শীষ পদে থাকবেন তারা দলীয় কাজে স্বক্রীয় কাজ করা মনোভাব থাকতে হবে। শুধু তাই নয়,কর্মীবান্ধব,জনকল্যাণ মূলক কর্মসূচীর কর্মীদের স্বতষ্ফুর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে জাতির পিতার নীতি আদর্শকে লালন পালন ও প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশ মানিয়ে চলার মতো এমন তৃণমূল নেতৃত্ব থেকে নিয়ে পরিবর্তন করা দরকার। সংশ্লিষ্ট তৃণমূল নেতাদের সূত্রে জানা গেছে একজন নেতা একাধিক পদে দায়িত্ব দিলে পদ না পাওয়ার বেদনা অনেকে দলের থেকে দূর সরে যান। তখন দলের শৃঙ্খলা থাকেনা আর নির্বাচনের সময় পদ বঞ্চিতরা কাজ করতে নারাজ। এমন নেতারাও জাতীয় নির্বাচন ছাড়াও স্থানীয় নির্বাচন সমূহের দলের মনোনীত ব্যক্তি পক্ষে কাজ না করে অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীর পক্ষে গোপন আতাঁতের আতœীয় করণসহ নানাভাবে মুখোজধারী হয়ে যায়। ওই ধরণে নেতাকে পরিহার করতে হবে। এছাড়া দলের সদস্য ও নেতাকর্মীদের কষ্ট না বুঝে ব্যক্তি বা নিজ স্বার্থে কাজ করা অনেক নজির রয়েছে। এবারে পরিবর্তন করার মত দিয়েছে সম্প্রতিক প্রধান মন্ত্রীর ও দলীয় সভানেত্রী নিজেই কাওয়া,হাইব্রিতদের চিহ্নিত করতে বলা হলেও মুখোজধারীদের চিহ্নিত করার জরুরী বলে মনে করছেন অনেকেই। যেই নির্বাচন করুক এবং বিজয়ী হোক তার পক্ষে কাজ করবেন বলে সংশ্লিষ্ট নেতাদের সূত্রে জানা গেছে। প্রস্তুতি কমিটি সদস্য সচিব জনমজয় তঞ্চঙ্গ্যার বলেন এখনো পর্যন্ত কোন সদস্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করনেনি। তবে সম্পাদক পদে যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ধীরেন্ট ত্রিপুরা ও সভাপতি পদে সাবেক সভাপতি মনোনয়ন ফরম নিতে পারেন। তারা ২জন ফরম সংগ্রহ করার সম্ভাবনা আছে। বর্তমান সভাপতি ও রোয়াংছড়ি সদর ইউপি চেয়ারম্যান চহ্লামং মারমা ও যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ধীরেন্ট ত্রিপুরার সাথে যোগ করা হলে তারা বলেন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here