রাসেলের আবেদনে সাড়া দিয়ে ইউএনও’র নির্দেশে টিসিবির ন্যায্যমূল্যের গাড়ি এখন মাহমুদ নগরে!

0
217

তরিক হোসেন বাপ্পি : মাহমুদ নগর এলাকায় বন্দর উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ ( টিসিবি ) ন্যায্য মূল্যের পণ্য  বিক্রির একদিনের কর্মসূচি সম্পন্ন  হয়েছে। বুধবার ( ১৩ই  মে  ) নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২০ নং ওয়ার্ডের মাহমুদ নগর এলাকায় মহামারীর করোনা ভাইরাসের কারণে ঘরবন্দী হতদরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর মাঝে একদিনের ন্যায্যমূল্যের পণ্য বিক্রি করা হয়।

এলাকার মানুষ টিসিবির পণ্য কিনে সন্তুষ্ট প্রকাশ করে সেইসাথে রাসেল ইসলামের জন্য দোয়া প্রার্থনা করে যেন প্রতিটি মায়ের ঘরে একটি করে রাসেল জন্ম নেয় সেই সাথে উপজেলা প্রশাসনকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই এলাকাবাসী।

রাসেল ইসলাম গণমাধ্যমকর্মীদের কে জানান  গত ( ১১ই মে ) আমি একটি লিখিত আবেদন নিয়ে বন্দর উপজেলা কর্মরত নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করি আমার আবেদনটি উপজেলা প্রশাসন নির্বাহী কর্মকর্তা গ্রহণ করে অফিসের দায়িত্বরত কর্মকর্তাকে আদেশ করেন দুর্যোগ ও রমজান মাসের চাহিদার ভিত্তিতে বন্দরের মাহমুদনগর এলাকায় ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ ( টিসিবি ) ন্যায্যমূল্যে খাদ্যশস্য সর্বসাধারনের নিকট  বিক্রি করতে। যাতে করে  হতদরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষগুলো সরকারি ন্যায্যমূল্যে খাদ্যশস্য ক্রয় করিতে পারে।

মদনগঞ্জ ফাঁড়ির ইন্সপেক্টর সৈয়দ মিজানুর রহমান বলেন ‘‘এই দুর্যোগের সময় যে যেখান থেকে সম্ভব আমাদের সবাইকে একত্রিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে হবে। সেই সাথে আমি বলতে চাই রাসেল ইসলাম একটি সচেতন নাগরিকের পরিচয় দিয়েছে ও যদি উপজেলা প্রশাসনের কাছে  এই দুর্যোগের পরিস্থিতিতে লকডাউনে ঘরবন্দি মানুষের দুঃখ কষ্টের কথাগুলো উপস্থাপন না করতো তাহলে হয়তো আজ এখানে আমাদের এসে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা সম্ভব হতো না। দেশের দুর্যোগ অবস্থায় আমরা প্রশাসন তাৎক্ষণিক জরুরি সেবা দিয়ে যাচ্ছি  আমাদের দায়িত্ব অনেকাংশে বেড়ে গেছে আমরা জীবনের মায়া ত্যাগ করে দেশের সকলের সহযোগিতা করতে চাইলেও চাহিদা অনুযায়ী সহযোগিতা দিতে পারছিনা। একটা জিনিস মনে রাখবেন মহামারী আর রহমত একসাথে কখনও আসেনি মহামারীর পরেই  সৃষ্টিকর্তার রহমত পৃথিবীতে বর্ষিত হয়… আমি এতোটুকুই বলতে চাই আস্থা রাখুন ঘরে থাকুন সুস্থ থাকুন ইনশাল্লাহ আমরা জয়ী হবোই ।নিত্যপূর্ণ ক্রয়ের জন্য এলাকাবাসীকে শৃঙ্খলা তৈরি করতে রাসেলের সাথে সাদ্দাম, পলাশ, সোহেল, বাপ্পি, মুন্না, ফয়সাল, খাদেম, ও মুরাদ  প্রশাসনকে সহযোগিতা করে  ইন্সপেক্টর সৈয়দ মিজানুর রহমান উপস্থিত থেকে তার ফোর্সকে সাথে নিয়ে সামাজিক দূরত্ব অক্ষুন্ন রাখার জন্য তদারকি করেন যেন  এলাকার মানুষ নিয়ম মেনে লাইনে দাঁড়িয়ে খাদ্যশস্য ক্রয় করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here