মানবাধিকার চরফ্যাশন শাখায় সাংবাদিক সম্মেলন

0
180
দক্ষিণ আইচার ভূমিদস্যু মফিজুল গংদের বিরুদ্ধে জমি লগ্নির টাকা এবং সম্পত্তি উদ্ধারের আবেদন
চরফ্যাশন উপজেলা প্রতিনিধিঃ
স্থানীয় বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার চরফ্যাশন উপজেলা শাখার থানা রোডস্থ কার্যালয়ে পৌরসভা ৭নং ওয়ার্ডের মোস্তফা কামাল নামের এক ব্যক্তি দক্ষিণ আইচা থানাধীন চর নুরুদ্দিন সাকিনের ভুমিদস্যু মফিজুল ইসলাম ওরফে সেকু পাটওয়ারী গংদের বিরুদ্ধে সম্পত্তি জবর দখলের ও জমি লগ্নির ১ লক্ষ টাকা আদায়ের দাবীতে এক সাংবাদিক সম্মেলন করেছে। গত ০৮ জুলাই ২০২০ইং তারিখে অনুষ্ঠিত এ সাংবাদিক সম্মেলনে মোঃ মোস্তফা কামাল তাঁর লিখিত বক্তব্যে বলেন প্রতিপক্ষ ভুমিদস্যু মফিজুল ইসলামের ৬/৭টি সন্ত্রাসী স্বভাবের ছেলে, এবং ভাই-ভাতিজা ও আত্মীয়-স্বজন সহকারে ২০/২৫ জনের একটি লাঠিয়াল বাহিনী রয়েছে। এ চক্রটি আইন-কানুনের প্রতি কোন তোয়াক্কা না করে এলাকায় নারী নির্যাতন সহ সকল অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। ইহাতে এলাকার সাধারণ মানুষ তাঁদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। যার ফলে প্রতিপক্ষরা বীরদর্পে তাদের অপকর্ম অব্যাহত রেখে রাম রাজত্ব কায়েম করে আসছে। এমনকি চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, নারী নির্যাতন করে অন্যের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে। তাহাতে চর নুরুদ্দিন মৌজার জে.এল নং- ১১৭, এস.এ খতিয়ান নং- ৭৬, ডিপি খতিয়ান নং- ৪৩, হাল দাগ ৩৫, নামজারি খতিয়ান নং ৩৪১, জমি ৩.০০ একর জমি মোস্তফা কামাল গংরা খরিদ সূত্রে মালিক দখলকার নিযুক্ত হয়ে বিগত ০৮/০৫/১৯৮৪ সাল হইতে গত ২০০৮ সাল পর্যন্ত ভোগ দখলে ছিলেন। ২০০৯ সাল হইতে প্রতিপক্ষ মফিজুল ইসলাম গংরা মোস্তফা কামালের থেকে অন্যান্য চাষাদের মত ৭২ শতাংশ জমি লগ্নি নিয়ে চাষাবাদ করেন। তবে ২০১০ সাল থেকে অদ্য পর্যন্ত ৭২ শতাংশ জমির লগ্নির ১ লক্ষ টাকা দেই দিচ্ছি করে ঘুরাইতেছেন।
এবিষয়ে গত ১০/১১/২০১৭ইং তারিখে স্থানীয় সাংসদের বরাবরে আবেদন করিলে উক্ত পৌর মেয়রকে মীমাংসার জন্য দেন। পরবর্তীতে মেয়র ৭নং ওয়ার্ড কমিশনারকে দায়িত্ব দিলে ভুমিদস্যু মফিজুল গংরা সংশ্লিষ্ট জমির কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন। অত:পর ভুমি মালিক মোস্তফা কামাল ভুমিদস্যু মফিজুল ইসলাম, পিতা- মৃত. আবু ইউছুফ, সেলিম, বাবুল, দুলাল, ইব্রাহিম, ফিরোজ, রিপন, সর্বপিতা- মফিজুল ইসলাম ওরফে সেকু পাটওয়ারী, সাং- চর নুরুদ্দিন, থানাঃ দক্ষিণ আইচা, উপজেলাঃ চরফ্যাশন, জেলাঃ ভোলা গংদের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আইচা থানায় অভিযোগ দিয়াছেন বলে মোস্তফা কামাল এর লিখিথ বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে স্থানীয় কয়েকজন সংবাদ কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ভিকটিম মোঃ মোস্তফা কামাল তার জমি লগ্নির ১ লক্ষ টাকা ও তার খরিদা ৭২ শতাংশ জমি উদ্ধারের জন্য সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এছাড়া মোস্তফা কামাল আরো বলেন, ৭৪/১৪ নং দেওয়ানী মোকদ্দমার বাদী মফিজুল ইসলাম সহ মামলার বর্ণিত ১-২৪ তম বাদীগণের বাচ্চাদেরকে অন্যের স্ত্রী বানিয়ে ২৪টি ভুয়া কার্ড করেন। যাহা নিরপেক্ষ তদন্তেই বেরিয়ে আসবে।
এ ব্যপারে মফিজুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে।
দক্ষিণ আইচা থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here