ভোলায় বন্দোবস্ত জমি দখলের অভিযোগ, জামাতার হুমকিতে দিশেহারা ভুক্তভোগী পরিবার

0
305
স্টাফ রিপোর্টার: ভোলাঃ ভোলা সদর উপজেলার ভেলুমিয়া ইউনিয়নের কুঞ্জপট্টি গ্রামের বাঁধের পাড় এলাকায় স্থানীয় সরকার থেকে বন্দোবস্ত নেওয়া জমি জোরপূর্বক দখল করে ভোগ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে একটি সংবদ্ধ গ্রুপের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, স্থানীয় সরকার (জেলা প্রশাসক) থেকে অনুমতি নিয়ে ২০০৫ সালের দিকে বাঁধের এলাকায় তিন মালিক এক জোট হয়ে স্থানীয় সরকার থেকে মোট ৬৬ শতাংশ জমি বন্দোবস্ত নেন। যাঁর দাগ নং ১৩১১। যাঁর মধ্যে মোজাম্মেল হকের ৪২ শতাংশ, ইউনুস কমান্ডারের ১৬ শতাংশ ও চান খায়ের ৮ শতাংশ জমি রয়েছে।
কয়েকবছর পর চান খাঁ বন্দোবস্ত নেওয়া তার ৮ শতাংশ জমি স্থানীয় রহিমা বেগম নামে এক মহিলার কাছে পর্চা মাধ্যমে বিক্রি করেন। তখন চান খাঁ মহিলার কাছে ৮ শতাংশ জমি বিক্রি করলে জালিয়াতির মাধ্যমে সেই ৮ শতাংশ জমি ভূয়া পর্চার মাধ্যমে ২৬ শতাংশে রুপান্তর করেন রহিমা বেগম।
এরপর থেকে রহিমা বেগম তার ক্রয়ক্রিত জমি ২৬ শতাংশ বলে দাবি করে ভোগ দখলে নিয়ে যান মোজাম্মেল হকের জমিও। আর তখন থেকেই মোজাম্মেল হক ও রহিমা বেগমের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
এই বিরোধ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে একাধিকবার সালিশি বৈঠকের কথা থাকলেও রহিমা বেগমের জামাতা মোঃ জাবেদ সালিশি বৈঠকে না বসে উল্টো মোজাম্মেল হকের পরিবারকে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।
তাছাড়া জাবেদ স্থানীয় এমপি জনাব তোফায়েল আহমেদ সহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন নেতাকর্মীদের নাম বলে ভয়ভীতি দেখিয়ে ভুক্তভোগীদের দমিয়ে রেখেছেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগী জমির মালিক মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, আমার ৪২ শতাংশ জমি স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে বন্দোবস্ত নিয়ে আমি ভোগ করতেছি। কিন্তু হঠাৎ চান খাঁ তার ৮ শতাংশ জমি রহিমা বেগমের কাছে পর্চার মাধ্যমে বিক্রি করেন। সেই থেকে রহিমা বেগমের জামাতা জাবেদ প্রভাব খাটিয়ে আমার জমি দখল করে রেখেছেন। জাবেদকে স্থানীয় পর্যায়ে সালিশের কথা বললে সে সালিশে বসতে রাজি হয়না। উল্টো অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করে।
এ বিষয়ে রহিমা বেগমের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার জামাতা জাবেদ বলেন, জোরপূর্বক দখল নয়, সঠিক দখলের মাধ্যমে ই জমি দখল করে রেখেছি। তবে তার বিষয়ে আনীত সমস্ত অভিযোগ তিনি মিথ্যা বলে স্বীকার করেন।
ভেলুমিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সালেম মাষ্টার জানান, এই নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে একাধিকবার সালিশি বৈঠকের কথা থাকলেও রহিমা বেগম ও তার জামাতা সালিশি বৈঠকে বসেননি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here