ভোলার চরফ্যাশনে উপজেলা যুবতি ধর্ষণ॥ ফয়সালার চেষ্টা ব্যর্থ॥ থানায় মামলা দায়ের করেন

0
191
স্টাফ রিপোর্টারঃ  গৃহবধূর সাথে অবৈধ সম্পর্ক করতে স্বামীকে তালাক দেয়া। মন-দেয়া নেয়ার এক পর্যায়ে অন্তঃসত্ত্ব হয় যুবতি। সন্তানের পরিচয় পেতে সমাজ প্রতিদের দ্বারে দ্বারে দীর্ঘ দিন ঘুরার পর অবশেষে চরফ্যাশন থানায় পুলিশ বৃহম্পতিবার মামলা গ্রহণ করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে চরফ্যাশন উপজেলার আসলামপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের খাস পাড়ায়।
থানার এজাহার ও ভিকটিম সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আসলামপুর ৯নং ওয়ার্ডের অলিউল্যাহ ছেলে মিরাজ(২২) গৃহবধূর পাশের বাড়ী হওয়া পরিচয় ছিল। তাদের মধ্যে কথোপকথোন হলেও সম্পর্কটি শারিরীকে পৌছেনি। এর মধ্যে একজন দিনমজুর(রিক্সাচালক) কন্যার অন্যত্রে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিবাহ হয়। তারা স্বামী স্ত্রী হিসাবে ঢাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন। মিরাজ ঢাকায় গিয়ে তার বাসা খোঁজ করে মোবাইল নম্বার সংগ্রহ করেন।
এরপর  তাদের মধ্যে কথাবার্তা। এক পর্যায়ে গড়ে উঠে অবৈধ সম্পর্ক। সম্পর্ক নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মাঝে মধ্যে বিভাধ বাধে। মিরাজ ভিকটিমকে বিবাহ করার আশ্বাসে পূর্বের স্বামীকে তালাক দিতে বলে। তার কথা মত স্বামীকে তালাক দেয়া হয়। তাদের বাসায় গিয়ে গোপনে গোপনে বিবাহের প্রলোভনে মিরাজ মিলা-মেশা করে। এক পর্যায় ভিকটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
বিষয়টি স্থানীয় ভাবে জানাজানি হলে আসলামপুর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কাসেম বাতানসহ কয়েকজনে ফয়সালার জন্যে দেন দরবার করে ব্যর্থ হয়েছে বলে ভিকটিমের পরিবারের অভিযোগ। এদিকে আসলামপুর আওয়ামী লীগ সভাপতি নুরে আলম মাষ্টার তার সম্পৃক্ততার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমি অসুস্থ্য ছিলাম বিষয়টি কাসেম বাতান  ফয়সালার চেষ্টা করেছে। ভিকটিমের মা এই প্রতিবেদককে বলেন, আমি থনায় গেলে কাসেম বাতান  আমাকে বাসায় ঢেকে নেন এসময় ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে দুই লক্ষ টাকা নিতে বলেন আমি বললাম মেয়ের গর্বের বাচ্চা কার মাথায় দেব এরপর  ১৫ জুন থানায় অভিযোগ করেছি। ওসি স্যারে ২৪ তারিখে আবারও আমাদের কাছ থেকে আবেদন নিয়েছেন। তার পর কি হয়েছে আমি জানিনা?
এই ব্যপারে চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শামসুল আরেফীন বলেন, ভিকটিম বাদী হয়ে ঘটনার প্রধান মূল নায়ক মিরাজসহ ৭জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু দমন আইনে ২৫ জুন বৃহম্পতিবার মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসাবে এস আই নাজমুল ইসলামকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আসামী গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here