বান্দরবানে রুমায় দপ্তরী কাম প্রহরী বিরুদ্ধের অভিযোগ উঠেছে

0
1272

মংহাইথুই মারমা বান্দরবান প্রতিনিধিঃ বান্দরবানে রুমা উপজেলার পাইন্দু হেডম্যান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২নং ওয়ার্ডে স্থানীয় বাসিন্দা দপ্তরী কাম প্রহরী মংবাসা মারমা এর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে।আজ বুধবার বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে তার র্কমকান্ড কাযর্ক্রম গুলো বেরিয়ে আসে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে। অর্থ বিভাগ,অর্থ মন্ত্রণালয়ের স্মারক নং-০৭.১৫৩.০১৫.০৩.০০.০০১.২০১১.৪৫৫, তারিখ ২৫-০৬-২০১২খ্রি: মোতাবেক এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সুপারিশক্রমে ৩বছরের জন্য চুক্তি ভিত্তিতে নিয়োগের মাধ্যমে যোগদান করলেও , তিনি বিদ্যালয়ের নিয়ম-নীতি মেনে না চলার তার বিরুদ্ধে এমন অনেক অভিযোগ রয়েছে।

দপ্তরী কাম প্রহরী মংবাসা মারমা,পিতা-থোয়াই হ্লাচিং মারমা,মাতা-আগ্রাইমা মারমা,পাইন্দু হেডম্যান পাড়া স্থানীয় বাসিন্দা,২নং ওয়ার্ড, তার জাতীয় পত্র নং-০৩১৯১৩৮১২৬০৪।

চুক্তি পত্রের নিয়ম নীতি বিধিমালার- ১. সর্বসাকুল্যে ১৪,৪৫০/(চৌদ্দ হাজার চারশত পঞ্চাশ)টাকা এবং সেবামূল্যের অতিরিক্ত ৮২৫০(আট হাজার দুইশত পঞ্চাশ)/হিসেবে বছরে দুইটি করিয়া উৎসাব ভাতা প্রদেয় হইবে। সেবামূল্যের অর্থ আউট সোর্সিং-এর মাধ্যমে নিয়োজিত জনবলের ব্যাংক হিসাবে জমা করিতে হইবে।এছাড়া সরকার কতৃর্ক এতে সংক্রান্ত বিষয়ে কোন পরিপত্র/স্মারক জারী করা হইলে তাহাও প্রযোজ্য হইবে। ২. সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োজিত থাকিবে। এই পদে চুক্তিভিত্তিক নিযুক্তির মেয়াদ হইবে তিন বৎসর এবং সন্তোষজনক চাকুরী সাপেক্ষে তাহা প্রতি ০৩(তিন) বছর অন্তর অন্তর নবায়নযোগ্য প্রযোজ্য হইবে। ৩. চাকুরী সংক্রান্ত যে প্রবিধানিক ব্যবস্থা রহিয়াছে তৎসম্পকীয় আচরণ বিধি এবং অন্যান্য বিধিসমূহ প্রযোজ্য হইবে। ৪. কতৃর্ক কোন কারণ দশার্নো ব্যতিরেকে এক মাসের নোটিশে চুক্তিপত্র বাতিল করিতে পারিবে এবং সেক্ষেত্রে একমাসের সেবামূল্য প্রদেয় হইবে। অপরপক্ষ অথার্ৎ আউট সোর্সিং জনবল নিজে চুক্তিপত্র বাতিল করিতে চাহিলে অথবা অব্যহিত গ্রহণ করিলে এক মাস পূর্বে কতৃর্কপক্ষকে জানাইতে হইবে।

কর্মরত প্রধান শিক্ষক(মংথোয়াইচিং মারমা) বক্তব্যের বলেন, আমাদের যতটুকু বলার অধিকার আছে,আমরা বলেছি। কিন্ত তিনি আমাদের কথা না শুনে নিজের ইচ্ছা মতেই কাজ করে চলে যায়। সকাল ৯টার দিকে এসে স্কুল খুলে আর বিকাল ৪টার দিকে বিদ্যালয়টি বন্ধ করে। বাকি দিনগুলোতেই নিজের ব্যক্তিগত কাজ দেখিয়ে বিদ্যালয় থেকে বের হয়ে যায়।

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বক্তব্যের বলেন, আমি দপ্তরী কাম প্রহরী’র যা সমস্যা আছে,আমি আমার দায়িত্ব মতে যথাযত মযার্দায় তাকে বলেছিলাম,কিন্তু তিনি আমার কথা শুনে নি।

এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদে নির্বাহী অফিসার মো: শামসুল আলম বক্তব্যের জানান, দপ্তরী কাম প্রহরী’র বিরুদ্ধে খুব শীঘ্রই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরো জানান, প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের যতই শীঘ্রই তদন্তে সাপেক্ষে এ বিষয়টি প্রেরণ করা হোক।

প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা অঞ্জন চক্রবর্তী বক্তব্যের জানান, দপ্তরী’র বিরুদ্ধে তদন্ত করার পর তা কু-কর্মের বিষয়ের যথাযথ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে তার চাকুরী পদত্যাগ করে দিব।

দপ্তরী মংবাসা মারমা’র এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে,কোন ভাবে নেটওয়ার্কে সংযোগ মেলেনি।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here