ফতুল্লায় যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা

0
109

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পশ্চিম দেওভোগের হাশেম নগর এলাকায় শাকিল (৩০) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৮ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে।

রোববার দুপুরে নিহত শাকিলের ভাই সাঈদ বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেন। নিহত শাকিল ফতুল্লার পশ্চিম দেওভোগ পূর্বনগর এলাকার মৃত আমান উল্লাহর ছেলে। তিনি একজন রিকশা গ্যারেজ ব্যবসায়ী। তবে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, শাকিলকে যারা কুপিয়ে হত্যা করেছে তারা দেওভোগ নগর এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ক্রসফায়ারে নিহত হাসান বাহিনীর অন্যতম সদস্য তুহিন, নিক্সন ও চান্দু। হাসান বাহিনীর এ সদস্যরা এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। তারা রাতের বেলা ধারালো অস্ত্র নিয়ে রাস্তায় অবস্থান করে অপরাধ কর্মকাণ্ড করে বেড়ায়।

আর শনিবার রাতে সজিব ও সুভাষ শহর হতে নিজ এলাকায় আসার পথে, সন্ত্রাসীদের চোখে মোটরসাকেলের আলো পড়ে। এতে সন্ত্রাসী তুহিন, নিক্সন ও চান্দু গংরা তাদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। এ সময় সজিব ও সুভাষকে বাঁচাতে শাকিলসহ অন্যরা এগিয়ে আসলে তাদেরকেও এলোপাথাড়ি কুপাতে থাকে। এক পর্যায়ে তুহিনের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র শাকিলকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পরে হাসপাতালে নেয়ার পর শাকিলের মৃত্যু হয়।শাওন নামের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আহতদের মধ্যে সুভাষ জানান, তিনি শহরের ২নং রেলগেইট এলাকা থেকে বাংলাবাজার বাসায় মোটরসাইকেল যোগে রাত ১১টায় ফিরছিলেন। এ সময় পথে দেওভোগ হাশেম নগর এলাকায় একদল যুবক পথরোধ করে এলোপাথাড়ি কোপায়। আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে তাদেরকেও এলোপাথাড়ি কোপায়।

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন জানান, মোটরসাইকেলের লাইট চোখে লাগার মতো তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার রাত ১১টার দিকে পশ্চিম দেওভোগ হাশেম নগর এলাকায় একদল যুবক মোটরসাইকেল আরোহী সজিব ও সুভাষের পথরোধ করে তাদেরকে এলোপাথাড়ি কোপায়। ওই সময় তাদের চিৎকারে শাকিলসহ অন্যরা ছুটে এসে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে বাঁচাতে এলে তাদেরকেও কোপাতে থাকে। তবে মোটরসাইকেলের লাইট চোখে লাগার মতো তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে এভাবে কুপিয়েছে তা নিয়ে একটু ভাবার বিষয়। তারপরও খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। আর হত্যাকারীদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here