নাগরপুরে ১১ জন সহকারী সার্জনের যোগদান

0
607
আমজাদ হেসেন রতন: নাগরপুর (টাংগাইল) প্রতিনিধিঃ নাগরপুর-দেলদুয়ারের গণমানুষের নেতা আহসানুল ইসলাম টিটুর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় নাগরপুর-দেলদুয়ারের স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নের জন্য  নাগরপুরে ১১ জন এবং দেলদুয়ারে ৯ জন সহ মোট ২০ জন সহকারী সার্জন পোস্টিং সম্পন্ন করেছেন।
এম পি টিটু নাগরপুর- দেলদুয়ারকে সার্বিক উন্নয়নের আওতায় আনার জন্য তিনি সর্বাত্মক ভূমিকা পালন করছেন। তিনি এর আগে নাগরপুর-দেলদুয়ারে প্রতিটি ইউনিয়নে উন্নয়ন কর্মশালা শীর্ষক আলোচনা সভার মাধ্যমে সকল রাস্তা, ঘাট, স্কুলসহ সকল উন্নয়নের আওতায় এনে তার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। নাগরপুর -দেলদুয়ারকে মডেল হিসেবে পরিগনিত করতে, তার জন্য সার্বিক ভুমিকা রেখে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানে কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছেন। তিনি বলেন আমি, প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাসী নই -আমি বাস্তবায়নে বিশ্বাসী। তারই ধারাবাহিকতায় এরই মধ্যে তিনি রাস্তা-ঘাটসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম করে যাচ্ছেন।
নাগরপুরকে মডেল নাগরপুর হিসাবে পরিগণিত করতে তিনি যাতায়াত সমস্যা সমাধানের জন্য জনগণের জন্য বি আর টি সি বাস সংযোজন করে নাগরপুরের জনগণের যাতায়াত সমস্যার সমাধান করেছেন।
আবার তিনি স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নের জন্য ইতিমধ্যে ২০ জন ডাক্তারের পোস্টিং সম্পন্ন করেছেন। যা নাগরপুর- দেলদুয়ারের জন্য একটা বিশাল আশীর্বাদ।
তিনি সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রতিটি রাস্তার কাজ সহ অন্যান্য কাজের টেকসই মান বজায় রাখতে বিশেষ বিশেষ ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন। তিনি যে সমস্ত উন্নয়ন কর্মশালা হাতে নিয়েছেন তা যদি তিনি সম্পন্ন করতে পারেন তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী
“গ্রাম হবে শহর“  অর্থাৎ শহরের সকল সুযোগ সুবিধা নাগরপুর- দেলদুয়ারবাসী ইতিমধ্যে পেতে শুরু করেছেন।
এজন্য নাগরপুর- দেলদুয়ারবাসী প্রথম স্বরন করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, আর বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানে সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করা বাঙ্গালী জাতির স্বপ্নসারথী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিও হাজারো সালাম জানান এলাকাবাসী। সেই সাথে বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এম পি টিটুর জন্য।
নাগরপুর-দেলদুয়ার বাসী মনে করেন একমাত্র এম পি টিটুই নাগরপুর-দেলদুয়ারকে নতুন সূর্যের উদয় ঘটাবে বলে সকলের বিশ্বাস এবং তার উন্নয়ন কর্মশালার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করলে উন্নয়ন আসবেই বলে আশাবদী এই  প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনসাধারণ।
এ বিষয়ে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আশরাফ আলী জানান, এতদিন হাসাপাতালে ডাক্তারের সংকট থাকায় স্বাস্থ্যসেবা প্রদান বিঘ্নিত হচ্ছিল।কিন্তু এখন শুধু সদর হাসপাতাল নয় ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়মিত নব যোগদানকৃত ডাক্তারগন সেবা প্রদান করবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here