নওগাঁয় ৩৪ হাজার ৩৫৭ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ

0
47

একেএম কামাল উদ্দিন টগর নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ– নওগাঁ জেলায় চলতি মৌসুমে ৩৪ হাজার ৩৫৭ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্দ্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ। গত বছর সরিষা চাষে বাম্পার ফলন হওয়ায় এ বছর কৃষকদের মধ্যে সরিষা চাষের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে অল্প সেচ,কম পরিচর্যা খরচ এবং সরিষা উত্তোলনের পর পূনরায় সেই জমিতে বোরো ধান চাষের সুযোগ থাকার কারণে মধ্যবর্তী ফসল হিসেবে কৃষকদের মধ্যে সরিষা চাষের আগ্রহ পরিলক্ষিত হচ্ছে।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে,২০১৭-১৮ মওসুমে নওগাঁ জেলায় ২৭ হাজার ৪২০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ হয়েছিল এবং ২০১৮-১৯ মওসুমে জেলার ১১টি উপজেলায় ২৯ হাজার ২৬৫ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ হয়। সেখানে চলতি ২০১৯-২০ মওসুমে জেলায় মোট ৩৪ হাজার ৩৫৭ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্দ্ধারণ করা হয়েছে। ক্রমেই সরিষা চাষের পরিমান বৃদ্ধি পাচ্ছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নওগাঁ’র উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন,নওগাঁ জেলায় চলতি বছর প্রধানত বারী সরিষা-১৪,বারী সরিষা-১৫ এবং টোরি-৭ জাতের সরিষা চাষ করছেন কৃষকরা।
জেলার ১১টি উপজেলায় সরিষা চাষের পরিমান হচ্ছে নওগাঁ সদর উপজেলায় ১ হাজার ৭৬৫ হেক্টর, রানী নগর উপজেলায় ৩ হাজার ৪৬৫ হেক্টর, আত্রাই উপজেলায় ৩ হাজার ৫২০ হেক্টর,বদলগাছী উপজেলায় ৮৪৫ হেক্টর, মহাদেবপুর উপজেলায় ১ হাজার ২৬০ হেক্টর,পতœীতলা উপজেলায় ৪ হাজার ৮১০ হেক্টর,ধামইরহাট উপজেলায় ১ হাজার ৬৩০ হেক্টর,সাপাহার উপজেলায় ৩ হাজার ২৩০ হেক্টর,পোরশা উপজেলায় ২ হাজার ৪০৫ হেক্টর, মান্দা উপজেলায় ৭ হাজার ২৮২ হেক্টর এবং নিয়ামতপুর উপজেলায় ৪হাজার ১৪৫ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্দ্ধারণ করা হয়েছে।
জেলার মাঠে মাঠে এখন সরিষার বীজ বোপনের কার্যক্রম চলছে। এ পর্যন্ত পুরো জেলায় ৫৫০ হেক্টর জমিতে সরিষার বীজ বোপণ করা হয়েছে। উল্লেখিত জমি থেকে মোট ৪৯ হাজার ১৩০ মেট্রিক টন সরিষা উৎপাদিত হবে বলে কৃষি বিভাগের অনুমান।।স্থানীয় কৃষি বিভাগ সরিষা চাষে উৎসাহিত করতে কৃষকদের মাঝে সরকারী ভাবে প্রদত্ত প্রনোদনা হিসেবে ইউরিয়া সার,বীজ ইত্যাদি বিনা মূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।#
এ ছাড়াও অসংখ্য মধু সংগ্রহকারীরা মধূ সংগ্রহের লক্ষে সরিষা ক্ষেতের পাশে বিশেষ বাক্স স্থাপন করে সেখান থেকে মধু সংগ্রহ করছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here