তিতাসতরী উচ্চ বিদ্যালয়ের হত দরীদ্র শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রীর নিকট আকুতি..

0
418
মোঃ আলাউদ্দিন ঘরামী:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা খাতে উন্নয়ন, অগ্রগতি, সাফল্য বিশ্ব ব্যপি প্রসংশিত এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না।
বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নানামুখী উন্নয়ন মূলক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সব সময় বলেন,যে জাতী যতবেশশিক্ষিত,সেজাতী ততো বেশি উন্নত।এটা চিরন্তন সত্য।
তবুও বাংলাদেশর কোন কোন জেলার হত দরীদ্র অঞ্চলে এখনো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্টান রয়েছে গেছে যেখানে নেই কোন সরকারি সহায়তা বা উন্নয়ন।
বন্চিত কোমল মতি শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে না সরকারের দেওয়া চলমান ভিবিন্ন শিক্ষা সহায়ক সহায়তা।
এমনি একটি বিদ্যালয়ের নাম তিতাসতরী উচ্চ বিদ্যালয়।
বি- বাড়ীয়া নবী নগর থানার অন্তর্গত পূর্ ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের মহোল্লা গ্রামের স্হানীয় বাসিন্দা শিক্ষানুরাগী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব জনাব জয়েল রানা সহ ১৫/১৬ জন শিক্ষিত যুবক উদ্দোগ নেয় একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্টা করবে।
এই যুবকদের উদ্দ্যোগ কে বাস্তবে রুপ দিতে সেদিন সহযোগীতার হাত বাড়ীয়ে দিয়ে একই এলাকার স্হানীয় বাসিন্দা জনাব মোঃ রবি উল্লাহ তার ২৮ শতক জমির উপর অস্হায়ী ভাবে গ্রামবাসীর সহযোগীতায় ২০১৬ সালে ঠিনের ছাউনি ঠিনের বেড়া দিয়ে নির্মাণ করেন তিতাসতরী উচ্চ বিদ্যালয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ আব্দুল্লাহ
(বি. বি. এ,এম. এস. এস) বলেন আমার পিতার দেওয়া ২৮ শতক জমির উপর যখন এ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্টা করা হয় তখন ভাবলাম এই হত দরীদ্র এলাকার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যেন শিক্ষার আলো থেকে বন্চিত না হয়।
তখন তেকে এই প্রতিষ্টানের শিক্ষকতার দায়িত্ব কাধে তুলে নিয়েছি। এবং এলাকার শিক্ষিত ভাই বোনদের বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার জন্য আহবান জানাই।
তিনি আরো বলেন বর্তমানে ১৩ জন শিক্ষক / শিক্ষিকা নিয়ে
প্লে বেবি থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম অব্যহত রয়েছে। ১৪/১২/২০১৯ ইংরেজী সাল পর্যন্ত বর্তমানে শিক্ষার্থী সংখ্যা ৩৯৬ জন।
বিদ্যালয়ের উদ্দোগতা প্রতিষ্টাতা সদস্য জনাব জুয়েল রানা বলেন, কাগজে কলমে ভর্তি ফি,মাসিক বেতন,পরিক্ষা ফি নেওয়ার কথা তাকলেও তা আমরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাই না। কারন এই এলাকার বেশিরভাগ মানুষ হত দরীদ্র, মৎসজীবি,ও দিন মজুর।
মাস শেষে যেখানে শিক্ষকরা সম্মানি ভাতা পাওয়ার কথা,
সেখানে তারাই প্রতিষ্টা লগ্ন তেকে শিক্ষক/ শিক্ষিকা সহ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সকলে মিলে আমরা প্রতি বছর নিজেদের ব্যক্তিগত তহবিল তেকে ভর্তুকি দিয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা করে আসছি।
আলাপকালে শিক্ষানুরাগী প্রতিষ্টাতা সদস্য জনাব জুয়েল রানা বলেন বিদ্যালয়ের ভিবিন্ন অনুষ্ঠান ও ভিবিন্ন অবকামো উন্নয়নে আমরা পূর্ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাবা,মৌসুমী খায়ের বারী,
এবং ৩ নং মোহল্লার ইউ পি সদস্য জনাব মোঃ ফারুক মিয়া নিজস্ব তহবিল তেকে অার্থিক সহায়তা প্রধান করেন।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে আলাপকালে তারা বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষার্থীদের কল্যানে নানা মূখি সহায়তা অব্যহত রেখেছে।
কিন্তু সে সুযোগ সুবিধা তেকে আমরা বন্চিত। বিদ্যালয়ের শিক্ষক / শিক্ষিকা, পরিচালনা পরিষদ, এবং অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের সরকার ঘোষিত চলমান সকল সুযোগ, সুবিধা প্রধানের জন্য মাননীয়া প্রধানমন্ত্রীর নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন।
এবং মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ও স্হানীয় সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয়া শিক্ষামন্ত্রীর নজরে আসলে একদিন এই হত দরীদ্র অন্চলের আগামী প্রজন্ম শিক্ষার আলো ছড়াবে বিশ্ব ব্যপি। এবং তিতাসতরী উচ্চ বিদ্যালয়ে হয়ে উঠবে আধুনিক বিদ্যাপিঠ।এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here