বিশেষ প্রতিবেদন  জানা যাই চলচ্চিত্র অভিনেত্রী রাইমা ইসলাম শিমুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে কেরানীগঞ্জের হজরতপুর ব্রিজের কাছে আলিয়াপুর এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজি রমজানুল হক বিপ্লবী বাংলাদেশকে বলেন, লাশের গলায় একটি দাগ রয়েছে। লাশটি স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।শিমুর বড় ভাই শহীদুল ইসলাম খোকন গতকাল রাতে সমকালকে জানান, রোববার সকাল ১০টার দিকে তার বোন গ্রিনরোডের বাসা থেকে বের হয়। শুটিংয়ের কাজে নিয়মিত বাসার বাইরে বের হওয়ায় তখন কারও সন্দেহ হয়নি। ১০টা ২৬ মিনিটের দিকে তার মেয়ে ফোন দিয়ে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পায়। তখনও তারা সন্দেহ করেননি। তবে সন্ধ্যা গড়ালেও বাসায় না ফেরায় এবং ফোন বন্ধ থাকায় তাদের সন্দেহ হয়। এর পরই সম্ভাব্য সব জায়গায় সন্ধান করা হয়। না পেয়ে রাতে কলাবাগান থানায় তারা জিডি করেন।
স্বামী ও দুই সন্তান নিয়ে শিমু রাজধানীর গ্রিনরোড এলাকার বাসায় থাকতেন। রোববার সকালে তিনি বাসা থেকে বের হন। তার মোবাইল বন্ধ থাকায় ওই রাতে কলাবাগান থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন স্বজনরা। এক দিন পরই তার খণ্ডিত লাশ পাওয়া গেল।
তবে শিমু নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে কলাবাগান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১৬ জানুয়ারি) সকাল থেকে শিমু নিখোঁজ ছিলেন।শিমু চলচ্চিত্র অভিনয়শিল্পী সমিতির সদস্যপদ হারানো ১৮৪ জনের মধ্যে একজন। তিনি ভোটাধিকার ফিরে পেতে আন্দোলন করছিলেন।
এনএইচ/টিআই
প্রসঙ্গত, অভিনেত্রী শিমুর ১৯৯৮ সালে সিনেমায় অভিষেক হয়। তিনি প্রায় ২৫টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন বলে জানা গেছে। এ ছাড়া অর্ধশতাধিক নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। এ ছাড়া তিনি একটি টিভি চ্যানেলের মার্কিটিং বিভাগে কর্মরত ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here