কিশোরগঞ্জে প্রভাবশালী রাজাকার আব্দুল মান্নান এখনও বহাল তবিয়ে!

0
468

(মাননীয় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষ)

চিপ ব্যুরো রংপুর:স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের সংগ্রামের বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মানবতাবিরোধীতা করে নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলা (০৪)নং বাহাগিলী ইউনিয়নের ০৯ নং ওয়ার্ডেরবসুনিয়া পাড়া গ্রামের প্রভাবশালী রাজাকার-মোঃ আব্দুল মান্নান বসুনিয়া (৭৭) এখনো রয়েছে বহাল তবিয়ে।স্বাধীনতা বিরোধী কর্মকান্ড এবং গ্রামে খানসেনা নিয়ে এসে নিজের সহযোগিতায় রাজাকার, আলবদর ও আলশামস গঠন করে গড়ে তোলে। তার সীমাহীন অত্যাচারে বহু নিরীহ মানুষের প্রাণ হারায় এবং মা-বোনের ইজ্জত লণ্ঠিত করে।খান সেনাদের কে নিয়ে ১৯৭১ সালে দালাল রাজাকার আব্দুল মান্নান এর বর্বরতার নির্যাতনের নির্বিচারে গণহত্যা গণধর্ষণ লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগ মুক্তিযুদ্ধাদের ধরিয়ে দেওয়া চুরি-ডাকাতি সম্পত্তি দখল সহ নির্যাতনের শিকার হয়েছে। কিন্তু এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন ১৯৭১ সালে তার এলাকার মোঃ সুকারু মামুদ,তার মেয়ে মোছা: কাচুয়ানী ও ১৩ মাসের শিশুকে প্রত্যক্ষভাবে খান সেনা কে দিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। এমতাবস্থায় সেদিন ও রক্ষা পায়নি তার গ্রামের মোশারফ হোসেন এর বাড়িতে বেড়াতে আসা তার বোন ও দুই জামাই মোঃ আতাহার আলী মোঃ আজিম উদ্দিন এবং মোশারফ এর বাড়ির কাজের লোকমোঃ এরফান আলী,ডোঢা মামুদ, রহিম উদ্দিন ওরফে গাটরাবুরাসহএর নাতি আবদুস সালামকেও হত্যা করে। বর্তমানে এলাকায় এই প্রভাবশালী রাজাকারের ভয়ে গ্রামবাসী শান্তিতে বসবাস করতে পারছে না, বিভিন্ন ধরনের হয়রানি মিথ্যা মামলা ভূমিদখল সহ এলাকাবাসীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়।যুদ্ধ অপরাধিও মানবতাবিরোধী রাজাকারহয়ে তার সন্তান কিভাবে সরকারি চাকরি পেতে পারে?১. বড়় ছেলে মোহাম্মদ মার্শাল হোসেন (বিজিবিতে) কর্মরত আছে ২. মোঃ আরমান হোসেন (আর্মিতে) কুমিল্লা ময়নামতি সেনানিবাসে কর্মরত আছে ৩. মোহাম্মদ বুলবুল মিয়া (বিএস)এতে কর্মরত আছে ও ছেলের বউমোছা:  নূরজাহান বেগম (পরিবার পরিকল্পনায়) কর্মরত আছে বলে জানা যায়।বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ থানাকমান্ড কর্তৃক প্রদত্ত যুদ্ধাপরাধীদের তালিকায় আব্দুল মান্নান রাজাকারেরক্রমিকনং (৮১) বলেঅনুসন্ধানে জানা যায়।তার একই গ্রামের ১৯৭১ সালে মোঃ মোবারক আলী বসুনিয়ার (৭০) বড় ভাই মোঃ আতাহার আলীকে খান সেনাকে বাড়িতে নিয়েএসেপ্রত্যক্ষভাবে তাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে।মোবারক হোসেন অপরাধ বিচিত্রা কে অভিযোগ করে বলেন আমার ও বড় ভাইয়ের সম্পত্তি জোর দখল করে খাচ্ছে আমরা প্রতিবাদ করতে গেলে আমাদেরকে মিথ্যা মামলা হয়রানিসহ বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ রাস্তাঘাটে দেখা হলে মারপিট ওলাশগুমকরিবে বলে বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে।মোবারক হোসেন বসুনিয়া বড় ভাইয়ের হত্যার বিচারের দাবীতে জেলা প্রশাসক নীলফামারী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই রাজাকারের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করে জাতিকে গ্লানিমুক্ত করাএকান্ত প্রয়োজন।(চোখ রাখুন পরবর্তী সংখ্যায়)……..

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here