আগামী বাজেটে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে জোর দিতে চান অর্থমন্ত্রী

0
11

আগামী বাজেটে কোন বিষয়কে অগ্রাধিকার দেয়া হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, করোনার মধ্যে অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকে আরও সম্প্রসারণ করতে হবে। এ জন্য দেশীয় শিল্পের সুরক্ষার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে।

দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা নিশ্চিত করে ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে জোর দিতে চান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনা শেষে বৃহস্পতিবার ভার্চুয়াল সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

আসন্ন বাজেট সামনে রেখে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, ঢাকা চেম্বারসহ দেশের শীর্ষ ১০টি চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা বক্তব্য দেন।

বৈঠকে অর্থনীতিকে গতিশীল করতে সরকার ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের মেয়াদ আগামী বাজেটেও বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এ ছাড়া কিছু প্যকেজের বরাদ্দ আরও বাড়ানো এবং নতুন কিছু খাতে প্রণোদনা দেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

জবাবে ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এটি নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রীর ওপর। কারণ তিনি বিষয়টি দেখভাল করছেন।’

ব্যবসায়ীদের দেয়া প্রস্তাব নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবেন জানিয়ে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ব্যবসায়ীদের বেশিরভাগ প্রস্তাব করসংক্রান্ত। তাদের এসব প্রস্তাবের যুক্তিও আছে। আরও আলোচনার দরকার আছে। এনবিআরের সঙ্গে বসতে হবে। তারপর পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

আগামী বাজেটে কোন বিষয়কে অগ্রাধিকার দেয়া হবে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, করোনার মধ্যে অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকে আরও সম্প্রসারণ করতে হবে। এ জন্য দেশীয় শিল্পের সুরক্ষার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে। একই সঙ্গে রাজস্ব আহরণে মনোযোগ দেয়া হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের অর্থনীতি বিকশিত হলে কর্মসংস্থান বাড়বে। চলতি অর্থবছরে শেয়ারবাজার, ব্যাংকে গচ্ছিত টাকা, নগদ টাকা, জমিসহ বিভিন্ন খাতে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া হয়।’

আসন্ন বাজেটে তা বহাল রাখা হচ্ছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মুস্তফা কামাল বলেন, ‘এখনও আলোচনার বাকি আছে।

‘আজকের সভায় এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

প্রাক-বাজেট আলোচনায় অংশ নেন ববসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, বিজিএমইএর সভাপতি রুবানা হক, মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এমসিসিআই) সভাপতি ব্যরিস্টার নিহাদ কবির, বিকেএমইএর সভাপতি একে এম সেলিম ওসমান, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি রিজওয়ান রহমান, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুল আলম, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস আ্যসোসিয়েশন (বিটিএমএ) সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন, বাংলাদেশ ওমেন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সেলিমা আহমেদসহ অনেকেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here